![]() |
| ছবি সংগৃহীত |
ঘর থেকে বের হলেই পড়তে হচ্ছে মৃ'ত্যুর ফাঁ'দে!!!
আজ দুপুর থেকে সানজিদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যা পর্যন্ত আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে রাতে এলাকায় মাইকিংও করা হয়।শনিবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজন মাঠে কাজ করতে গিয়ে বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে সেচ ক্যানেলের পাশে একটি পাটখেতে শিশু ডালিয়ার মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ বেলা দেড়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।
ওসি জানান, পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতের সময় শিশুটির শরীরে ধ*র্ষ*ণের আলামত পেয়েছে। শিশুটির প্রচুর র*ক্ত*ক্ষ*রণ হয়েছে সংগ্রহ করা সব ধরনের আলামত ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনিবার রাতেই শিশুটির ম*র*দেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম বলেন, “আমার মেয়েকে হ/ত্যা/র পূর্বে জোরপূর্বক ধ/র্ষ/ণ করা হয়েছিল। গ্রামেরই কোনো পা*ষ*ণ্ড এই নির্মম ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি দুর্বৃত্তদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
তিনি আরও বলেন, “আমার মেয়েটি খুবই শান্ত স্বভাবের ছিল। পড়াশোনাতেও ভালো ছিল। শুক্রবার দুপুরে সে বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। দুপুরের পর থেকে সে নিখোঁজ হয়।”
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার মেয়ের মরদেহ দেখার পর থেকে আমি শান্ত থাকতে পারছি না। রাতে ঘুমাতে পারিনি। চোখের সামনে শুধু মেয়ের ছবি ভেসে উঠছে। ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর কোরানীপাড়া গ্রামে
